ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আবহাওয়া
  3. আমাদের পরিবার
  4. আর্ন্তজাতিক
  5. ইসলামী জীবন
  6. এনায়েতপুর
  7. কক্সবাজার
  8. করোনা আপডেট
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরি-বাকরি
  11. জাতীয়
  12. নাগরিক সংবাদ
  13. পাঁচমিশালি
  14. বরিশাল বিভাগ
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এখনো প্রত্যাহার হয়নি আ,লীগের দোসর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম 

হুমায়ুন কবির সুমন
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫ ১:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হুমায়ুন কবির সুমন: এখনো প্রত্যাহার হয়নি আওয়ামী লীগের দোসর পৌর নির্নবাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। এবিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহল ও সাধারণ মানুষের মঝে নিন্দার ঝর উঠেছে।
এদিকে আ,লীগের দোসর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুলকে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা থেকে প্রত্যাহারের দাবী কর্মকর্তা, কর্মচারীদের শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর দৌড়ে ঝাপ শুরু করেছে নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।
সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেজবুকসহ সাধারন মানুষের মনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ছাত্র লীগ ও আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে চিহ্ন হওয়ার পরেও কেন তাকে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছেনা এনিয়েও প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে মানুষের মনে। অতি দ্রুত আওয়ামীলীগের দোসর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম কে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা থেকে প্রত্যাহার করার জন্য দাবী জানিয়েছেন পৌর কর্মকর্তা, কর্মচারীরা।
এর আগে সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় উল্লাপাড়া পৌরসভার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম কে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার বদলী করায় ফুসে উঠে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
প্রত্যাহারের দাবীতে নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ ম্যাধম ফেজবুকে নিন্দার ঝরও উঠেছে।
এদিকে সরেজমিনে পৌরসভার গিয়ে জানাযায়, গত ২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম উল্লাপাড়া পৌরসভার থেকে ছারপত্র নিয়ে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার যোগদানের কথা ছিলো। তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক কাছে যোগদানের কাগজপত্র জমা দিয়েছে।
আদেশের খবর ছরিয়ে পরলে নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম নিয়ে নানা বিতর্ক ও আওয়ামীলীগের রাজনীতি ও কাজিপুরের সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম ও তার ছেলে সাবেক এমপি তানভির শাকিল জয়ের আত্নিয় ও সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জরিত থাকায় তাকে পৌরসভার ঢুকতে দেয়নি পৌর সভার কর্মচারিরা।
এদিকে পৌর সভার কর্মচারী-কর্মকর্তার বলছেন, সিরাজগঞ্জ পৌর সভার নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফর রহমান একজন সৎ মানুষ তিনি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পাসে থেকে নিরলসভাবে কাজ করছেন। হঠাৎ করে তাকে সরিয়ে দিলে আমরা তা মানবোনা। আওয়ামী লীগের দোসর রফিকুল ইসলাম কে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার বসানোর চিন্তা করলে আমরা তা প্রতিহিত করবো। আমরা সরকারের কাছে দাবি করছি আওয়ামী লীগের দোসর রফিকুল ইসলাম কে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা থেকে সরিয়ে পুনরায় লুৎফর রহমান কে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসে দেখতে চায়। আওয়ামী লীগের দোসর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের যোগদানের আদেশটি বাতিল করে পুনরায় লুৎফর রহমান কে তার সততার পুরস্কার হিসেবে বহাল রাখার দাবী জানাচ্ছি।
সামজিক যোগাযোগ ম্যাধম ফেজবুকে এক জন কিছু ছবিসহ লিখেছেন, লাল বৃত্ত চিন্তিত রফিকুল ইসলাম পৌরসভার একজন সচিব পদে কর্মরত, উনার পৈতৃক বাসা শরীয়তপুর শশুর বাড়ী কাজীপুর পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা’র দোসর, উনি সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় যোগদানের চেষ্টা চালাচ্ছে, উনি আওয়ামীলীগের ক্ষমতা অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা অবৈধ ইনকাম করেছে, সিরাজগঞ্জের স্টেডিয়াম রোডে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে বাড়ী বানাচ্ছে, তার ঢাকাতে একাধিক ফ্লাট, বগুড়াতে জায়গা কেনা সহ দামী গাড়ীতে চলাফেরা করে, বিশ্বস্তসুত্রে জানা যায় উনি সাবেক স্বরাষ্ট মন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম সাহেবের ভাগ্নির জামাতা তার এই টাকার জোরে সিরাজগঞ্জে স্থানীয় লবিস্ট নিয়োগ করেছে সুনামধন্য সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় যোগদানের জন্য, আমার প্রশ্ন এই ছাত্রলীগ যুবলীগ করা ব্যক্তির জন্য কার দরদ উথলায় পড়ে? বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি ও জুলাই আগষ্টের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আরেক জন লিখেছেন, শহীদ রঞ্জু, সুমন, লতিফের রক্তের দাগ এখনো শুখাইনি এর মধ্যে আওয়ামিলীগের দোসর রফিক কে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সচিব হিসাবে কে নিয়োগ দিল এর পেছনে কে বা কারা রয়েছে কারা শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী করেছে এই লীগের দোসর রফিককে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সচিব হিসাবে আমরা দেখতে চাইনা রফিককে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সচিব থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। এবং এর পেছনে যারা রয়েছে তাদের বিচার করতে হবে।
নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি উল্লাপাড়া পৌরসভা থেকে বদলী হয়ে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার যোগদান করেছি। কিন্তু আমি পৌর সভায় যেতে পারিনি এখনো। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক অভিযোগ ছরাচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগের রাজনিতির সাথে জরিতনা। আমি উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশের অপেক্ষা আছি।
স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক মো: কামরুল ইসলাম বলেন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বদলী এটা একটা নিয়মিত রুটিং। বদলী হলে যার যার কর্মস্থলে সে যোগদান করবে। রফিকুল ইসলাম ও লুৎফর রহমানের বদলীর বিষয়ে জনতে চাইলে তিনি বলেন, তারা ছুটিতে আছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।